মাইদুল ইসলাম রনি বানারীপাড়া প্রতিনিধিঃ
বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার কচুয়া গ্রামে পূর্ব শত্রুতাকে কেন্দ্র করে এক তরুণীর বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে ধর্ষণ মামলা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মামলায় অভিযুক্ত মামুন ফরাজী দাবি করেছেন—আমাকে ফাঁষানোর জন্য এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও সাজানো নাটক।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়
দীর্ঘদিন ধরে সবুর খান ও মামুন ফরাজীর মধ্যে পারিবারিক ও ব্যক্তিগত বিরোধ চলে আসতেছিল । এলাকাবাসীর দাবি—এই দ্বন্দ্বকেই কেন্দ্র করে সবুর খান তার প্রতিপক্ষ মামুনকে ঘায়েল করতে সাজানো মিথ্যা ধর্ষণ মামলার পথে হেঁটেছেন।
মামলায় অভিযোগকারী মুক্তা নামের যে তরুণীর নাম এসেছে, তাকে এলাকায় মাদকসেবী ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে। ভিডিওতে তাকে যে অভিযোগ তুলতে দেখা যায়, তা স্থানীয়দের মতে,স্পষ্টই শেখানো বুলি বলে মনে হয়।
ভিডিওতে মুক্তা বলেন—২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, রবিবার, কচুয়ার রাস্তা থেকে তাকে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে একটি পরিত্যক্ত ভবনে ধর্ষণ করা হয়েছে।
তবে ভিডিওতে তার ভাষা, ভঙ্গি ও আচরণ দেখে অনেকেই সন্দেহ প্রকাশ করছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান,
“ভিডিওটা দেখলে বোঝা যায় ওকে কেউ শিখিয়ে দিয়েছে এবং পুরো বিষয়টাই বানানো।
নিরাপত্তাহীনতায় মামুন ফরাজী
সাংবাদিকদের বলেন,
“সবুর খানের অনেক সন্ত্রাসী লোক আছে।তারা আমাকে সুযোগ পেলে মেরে ফেলবে—এই ভয়ে আমি বানারীপাড়ায় যাই না। এখন বরিশাল এবং ঢাকাতেই থাকি।”
তিনি আরও বলেন,
“এই মিথ্যা মামলার জন্য আমি সবুর খানের বিরুদ্ধে পাঁচ কোটি টাকার মানহানির মামলা করব।”
এলাকার সাধারণ মানুষের অভিযোগ-
“মুক্তার ভিডিও, সময়, স্থান—কোনো কিছুই পরিষ্কার না। একপক্ষ অন্য পক্ষকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসাতে চাইছে। প্রশাসন তদন্ত করলে আসল সত্য বের হয়ে আসবে।”
স্থানীয় জনমনে প্রশ্ন হচ্ছে -
অভিযোগের ভিডিওটি কি আসল নাকি সাজানো?
ঘটনার দিন-তারিখ ও স্থান কি সত্য?
নেশাগ্রস্ত অবস্থায় দেওয়া বক্তব্য কি প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য?
তাই তারা চায়—নিরপেক্ষ তদন্ত, ভিডিওর ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে সত্যতা যাচাই এবং দু’পক্ষকেই আইনের আওতায় এনে ঘটনার সঠিক চিত্র প্রকাশ করা হোক।