বরিশালের পহেলা সেপ্টেম্বর বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী আয়োজন উপলক্ষে আলোচনা করায় সাহেবেরহাট বাজারের যাত্রী ছাউনির খোকনের চা দোকানে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী বাহিনীরা হামলা চালায়।
এই ঘটনায় শুক্রবার (২৯ আগস্ট) ৩ জনকে আসামী করে এবং ৮/১০ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে বন্দর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।
অভিযুক্তরা হলেন, বিশারদ এলাকার শামিম হাওলাদার, হানিফ হাওলাদার, বশির।
আহত মিরাজ হাওলাদার হলেন ৮ নং চাঁদপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মোটর চালক এর উপজেলা সদস্য সচিব এব বন্দর থানাধীন রায়পুরা গ্রামের বাসিন্দা কালাম হাওলাদারের ছেলে।
বর্তমানে তিনি মুমূর্ষু অবস্থায় বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
বিএনপি নেতার উপর আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের হামলার ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রতিপক্ষ সন্ত্রাসীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে বিএনপির নেতাকর্মীরা।
আহত বিএনপির নেতা মিরাজ হাওলাদার বলেন, প্রতিপক্ষরা দীর্ঘ ১৭ বছর আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে এলাকায় সাধারণ মানুষের উপর স্টীম রোলার চালায় ও সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে হয়রানি, চাঁদাবাজি, জমি দখল সহ নানা অপকর্ম করে আসছিল। গতবছর ৫ ই আগস্ট আওয়ামী লীগের পতন হলেও তারা এলাকায় আধিপত্য ধরে রেখে একাধিক অপকর্ম করে। ঘটনা দিন পহেলা সেপ্টেম্বর বিএনপি'র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী সুন্দরভাবে আয়োজন ও সফল করা নিয়ে চায়ের দোকানে বসে আলোচনা করছিল এই বিএনপি নেতা। এত ক্ষিপ্ত হয় পূর্ব পরিকল্পিতভাবে শামীম হাওলাদার, হানিফ হাওলাদার, বশির সহ অজ্ঞাত ৮/১০ জন সন্ত্রাসীরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে এ হামলা চালায়। এসময় ডাক চিৎকার শুনে খলিল খান ও নান্টু হাওলাদার বাঁচাতে ছুটে আসলে তাদেরকে মারধর করে। স্থানীয়রা আহতকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করে। মারধর করেও ক্ষান্ত হয়নি এখন বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়ে আসছে। ভুক্তভোগী পরিবার প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দিন কাটাচ্ছে।
এ বিষয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন বন্দর থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন, তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।