
স্টাফ রিপোর্টার:
সাংবাদিকতার জগতে এক বিস্ময়কর নাম — এ বি এম তারেক। যিনি কেবল সংবাদ লেখেন না, তিনি সমাজের গলিত ভিত কাঁপিয়ে তোলেন। দুর্নীতি, অন্যায়, স্বেচ্ছাচারিতা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে তিনি একা এক প্রহরী। তার সাহসিকতা, সততা ও সংগ্রামী মনোভাব আজও শত প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও অটুট রয়েছে।
বীরের উত্তরসূরি, সাহসের উত্তরাধিকার বীর মুক্তিযোদ্ধার গর্বিত সন্তান এ বি এম তারেক শৈশব থেকেই অন্যায়ের প্রতিবাদ করে আসছেন। সত্য ও ন্যায়ের প্রতি এই অনমনীয় অবস্থান তাকে বানিয়েছে এক বিরলপ্রজ সাংবাদিক। কবিতা, কলাম কিংবা নিউজ রিপোর্ট — সবকিছুতেই তিনি তুলে ধরেছেন সমাজের দগদগে ঘা, সাহসের শব্দে শাণিত করেছেন জনগণের চেতনাকে।
কলম যার অস্ত্র, ন্যায় যার লক্ষ্য:
এ বি এম তারেকের কলম যেন এক প্রচণ্ড ঝড়। অসংখ্য রাজনৈতিক দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, ভূমিদস্যুতা, প্রশাসনিক ব্যর্থতা — সব কিছুর বিরুদ্ধেই তিনি লড়েছেন নির্ভীকভাবে। ভয়, মামলা, হুমকি, হামলা কিংবা মোহ—কোনো কিছুই তাকে সত্য প্রকাশ থেকে বিরত রাখতে পারেনি।
সাহসিকতায় প্রেম ও সম্মান:
তার সত্যনিষ্ঠতা দেখে এক সুইডেনপ্রবাসী চিকিৎসক তার জীবনসঙ্গিনী হতে সম্মত হন — যা শুধু একটি ভালোবাসার গল্প নয়, বরং সততার প্রতি গভীর শ্রদ্ধার প্রতিফলন।
একজন নির্মাতা, গড়ে তুলেছেন সাংবাদিকদের সেনাবাহিনী:
এ বি এম তারেক নিজে যেমন সাহসিকতার প্রতীক, তেমনি গড়েছেন বহু তরুণ সাংবাদিককে। তারা আজ দেশজুড়ে কাজ করছেন সততার সাথে, সমাজের দর্পণ হয়ে। সাংবাদিকতার নৈতিকতা, দায়িত্ববোধ ও নিষ্ঠা তাদের হৃদয়ে প্রতিষ্ঠা করেছেন তিনিই।
এ বি এম তারেক শুধু একজন সাংবাদিক নন — তিনি এক যোদ্ধা, এক মশালধারী পথপ্রদর্শক। তার সংগ্রাম প্রমাণ করে, সৎ ও সাহসী সাংবাদিকতা এখনো বেঁচে আছে। তিনি এই প্রজন্মের কাছে এক অনুপ্রেরণা, আগামী দিনের সাংবাদিকদের জন্য এক পথনির্দেশক।