1. admin@prothomawaj.com : admin-ferdous :
  2. mehedihasanshipon789@gmail.com : প্রথম আওয়াজ ডেস্ক : প্রথম আওয়াজ ডেস্ক
কোচিংয়ের ফাঁদে বন্দী শিক্ষা: মুক্তি নেই, প্রতিকারও নেই! - প্রথম আওয়াজ - Prothom Awaj
২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৯ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| শরৎকাল| বৃহস্পতিবার| সকাল ৮:৫৭|
শিরোনামঃ
জনকল্যাণ ও রাজনীতিতে অনন্য দৃষ্টান্ত: চাদপুরার অহংকর মাহমুদুল হাসান রনি মাসিক মাসোয়ারার টাকা নিরবে পেতে ভিন্ন কৌশল করে দুপুরের খাবারের ব‍্যবস্থা করে দিলেন আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মা দুর্নীতির বরপুত্র বর্তমান বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা শাহবাগে শুভ উদ্বোধন হলো শাহবাগ রেস্তোরাঁ এন্ড কাবাব। বরিশাল–বানারীপাড়া মহাসড়কের ক্লাব থেকে চৌয়ারীপাড়া পর্যন্ত সড়ক এখন যেন মৃত্যুফাঁদ: দ্রুত সংস্কারের দাবি এলাকাবাসীর লাকুটিয়া খাল খনন প্রকল্পের কোটি কোটি টাকা লোপাট করার চেষ্টা! সাংবাদিক তথ্য চাইলেই সরকারি বরাদ্দের টাকা কাজ না করে ফেরত পাঠিয়ে দেন যুবলীগ নেতা! নতুন পরিচয়ে ও ভিন্ন কায়দায় নতুন করে চাঁদাবাজির রামরাজত্ব কায়েমের চেষ্টা ​বানারীপাড়ায় সাংবাদিক ও প্রগতিশীল চিন্তক এস. মিজানুল ইসলামের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ মানবতার ফেরিওয়ালা মেহেদী হাসান মিঠু: নলছিটির মানুষের আস্থার প্রতীক ভান্ডারিয়ায় সাংবাদিকদের লাঞ্ছিত করে জোরপূর্বক মুচলেকা নেওয়ার অভিযোগ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্স-এর সহ-সভাপতি হলেন মোঃ আল আমীন

কোচিংয়ের ফাঁদে বন্দী শিক্ষা: মুক্তি নেই, প্রতিকারও নেই!

শাহাদাত হোসেন রুবেল
  • প্রকাশিত সময় রবিবার, আগস্ট ৩, ২০২৫,
  • 1007 বার পড়েছেন

শাহাদাত হোসেন রুবেল, বানারীপাড়া:
বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার পূর্ব বালিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চলছে প্রকাশ্য কোচিং বাণিজ্য। বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মাহমুদা আক্তারের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের জোরপূর্বক কোচিং করানোর অভিযোগ তুলেছেন অভিভাবকরা।

অভিযোগে অভিভাবকরা জানান, মাহমুদা আক্তারের কাছে কোচিং না করালে ইচ্ছাকৃতভাবে পরীক্ষায় ফেল করানো হয়। এমনকি, প্রাইভেট না পড়া শিক্ষার্থীদের প্রতি বিদ্যালয়ে অবহেলা করা হয়, যার ফলে শিশুরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের নিয়মিত পাঠ শেষ হতেই মাহমুদা আক্তার শিক্ষার্থীদের প্রতিজনের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে আদায় করে কোচিংয়ে বসান। কোমলমতি শিশুরা ক্লান্ত-শ্রান্ত দেহে ক্লাস করতে বাধ্য হচ্ছে। তাদের চোখেমুখে বিরক্তি আর ক্লান্তির ছাপ স্পষ্ট। অভিভাবকদের মতে, শিক্ষকরা যেন শিক্ষার্থীদের টাকার পুতুলে পরিণত করেছেন।

কোচিং বাণিজ্য বন্ধ নীতিমালা-২০১২ অনুযায়ী, কোনো সরকারি শিক্ষক নিজের বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট বা কোচিং করাতে পারবেন না। অথচ এই নিয়ম ভেঙে চলছে নির্লজ্জ বাণিজ্য।

এ বিষয়ে জানতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ছবি হালদারের মোবাইলে একাধিকবার কল করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে চাইলে শিক্ষক মাহমুদা আক্তার দাবি করেন, “আমি শুধু অতিরিক্ত ক্লাস নিচ্ছি, কোনো অর্থ নিই না। শিক্ষার্থীদের ভালোর জন্যই করছি এবং প্রধান শিক্ষিকাও বিষয়টি জানেন।”

অন্যদিকে, উপজেলা শিক্ষা অফিসার খগোপতি রায় বলেন, “আমি সাব-ক্লাস্টার ট্রেইনারের মাধ্যমে বিষয়টি তদন্ত করে দেখব। অভিযোগ সত্য হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষককে শোকজ করা হবে এবং জেলা শিক্ষা অফিসারকে অবহিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

অভিভাবকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে, দ্রুত তদন্ত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছেন সচেতন মহল।

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2025 Prothomawaj.com