
হাসিব মাহমুদ রাহাত,
বানারীপাড়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেনীর শিক্ষার্থী ঝালমুড়ি ও বেলপুরি খেয়ে ৫-৬ জন অসুস্থ হয়ে পরে,তারপর শিক্ষার্থীদের কে বানারীপাড়া উপজেলা সাস্থ কমপেক্স নিয়ে যাওয়া হয়।
বানারীপাড়া উপজেলা সাস্থ কমপেক্সে নেওয়ার পরে দ্রুত ইমারজেন্সি ওয়ার্ডে নেওয়া হয় এবং চিকিৎসা প্রদান করা হয়,ইতিমধ্যে ঘটনা স্থল থেকে জানা গেছে বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের গেট সম্মুখে এক ঝালমুড়ি ও বেলপুড়ি নিয়ে বসে এক লোক এবং সেখান কার জনগন জানিয়েন ওই ঝালমুড়ি ওয়ালা প্রতিনিয়ত এখানে বসে বিক্রি করেন।
বানারীপাড়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কতৃপক্ষ বলেন, আমাদের ছোট্ট সোনা মনিদের দিকে আমরা খেয়াল রাখি এবং সুন্দর একটা শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য চেষ্টা করি,যাতে তারা তাদের ভবিষ্যত উজ্জ্বল করে তুলতে পারে।
এ বিষয়ে বানারীপাড়া থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মোঃ শতদল মজুমদারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন এখন পর্যন্ত লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি আমরা এবং স্কুল কতৃপক্ষ ও আমাদেরকে এখন ও কিছু জানায় নি,তবে এ বিষয়ে অভিযোগ আসলে আমরা অবশ্যই বিষয়টি তদন্ত করে দেখবো কি সমস্যা ছিলো বা হয়েছিলো এবং যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করবো।
বানারীপাড়া অফিসার ইনচার্জ আরো বলেন, আমাদের সন্তানরা বাহিরের খাবার খেয়ে প্রতিনিয়ত অসুস্থ হয়ে পরছে সেদিকে আমাদের বাবা-মা দের খেয়াল রাখতে হবে সন্তানদের দিকে যাতে বাহিরে ভেজাল যুক্ত খাবার থেকে দূরে রাখা যায়।
বানারীপাড়া সাধারণ জনগণের দাবি যাতে কোনো ব্যাক্তি ভেজাল বা নিন্ম মানের খাবার বিক্রি নাহ করতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে বলেন।
শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড,শিক্ষাই আগামীর ভবিষ্যত।