
মেহেদী হাসান নাকি তানজিদ হাসান? সতীর্থ দুই ‘হাসান’কে এভাবে মুখোমুখি না করে বলে দেওয়া ভালো ‘দুজনই’। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে যেকোনো সংস্করণেই বাংলাদেশের প্রথম সিরিজ জয়ে, সেটাও শ্রীলঙ্কার মাটিতে, তাঁরা ‘কেহ কারে নাহি ছাড়ে সমানে সমান!’
পাল্লেকেলেতে শ্রীলঙ্কা, ডাম্বুলায় বাংলাদেশ। কলম্বোর রানাসিংহে প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে আজকের শেষ টি–টোয়েন্টিটি তাই রূপ নিয়েছিল অলিখিত ফাইনালে। যে জিতবে, ২–১–এ সিরিজ তাদের। পাল্লেকেলেতে ওয়ানডে সিরিজের শেষ ম্যাচেও বাংলাদেশ দাঁড়িয়েছিল এমনই আরেকটি সুযোগের সামনে। সেই ম্যাচে হয়নি, কিন্তু আজ হয়েছে। ম্যান অব দ্য ম্যাচ যদিও মেহেদী হাসান, অলিখিত ফাইনালে বাংলাদেশের ৮ উইকেটের জয়ের নায়ক বলতে হবে মেহেদী–তানজিদ দুজনকেই।
মেহেদীর অবদান বল হাতে। ১১ রানে ৪ উইকেট নিয়ে আন্তর্জাতিক টি–টোয়েন্টিতে আজ নিজের ক্যারিয়ার–সেরা বোলিংটাই করলেন এই অফ স্পিনার। তাতে ১৩২ রানে ইনিংস শেষ করা শ্রীলঙ্কাকে টপকাতে বাঁহাতি ওপেনার তানজিদও খেললেন আন্তর্জাতিক টি–টোয়েন্টিতে নিজের সর্বোচ্চ অপরাজিত ৭৩ রানের ইনিংস।
নুয়ান তুষারার বলে এলবিডব্লু হয়ে যাওয়া ওপেনার পারভেজ হোসেনকে হারাতে হয়েছিল ইনিংসের প্রথম বলে। কিন্তু সেটাকে কোনো ধাক্কাই মনে হয়নি। দ্বিতীয় উইকেটে অধিনায়ক লিটন দাস আর তানজিদের ৭৪ রানের জুটিতে অনেকটাই এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। ২৫ বলে অপরাজিত ২৭ করা তাওহিদ হৃদয়কে নিয়ে ৫৯ রানের পরের জুটিতে তানজিদ ম্যাচ শেষ করে আসেন ১৭তম ওভারেই।
বিশেষ করে তানজিদ–লিটনের সৌজন্যে আগের মতো বড় জুটি বা বড় ইনিংস না হওয়ার আক্ষেপে পুড়তে হয়নি আজ, যেটা হলে ১৩২ রানও অজেয় হয়ে উঠতে পারত বাংলাদেশের জন্য।