1. admin@prothomawaj.com : admin-ferdous :
  2. mehedihasanshipon789@gmail.com : প্রথম আওয়াজ ডেস্ক : প্রথম আওয়াজ ডেস্ক
বানারীপাড়া সন্ধ্যা নদীতে উৎসব মূখর পরিবেশে ইলিশ মৎস্য সংরক্ষণ অভিযান ও অসাধু জেলেরা স্পিডবোর্ডে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ সহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। - প্রথম আওয়াজ - Prothom Awaj
২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| বুধবার| রাত ২:৩৪|
শিরোনামঃ
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা আবুল কাশেমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তের দাবি বুড়িগঙ্গা থেকে ৩ নাবিকসহ নিবন্ধিত ড্রেজার উধাও, অভ্যন্তরীণ নৌপথে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ।। আমি মানুষের খেদমতে নিজেকে সব সময় নিয়োজিত রাখবো- আবু তাহের মুসুল্লি স্ত্রীকে হত্যার পর আত্মহত্যার নাটক, স্বামী গ্রেপ্তার বরিশাল সিটি নির্বাচন: বিএনপি-জামায়াতের সম্ভাব্য মহারণ, মাঠে প্রস্তুতি শুরু মাঠে নাই ফয়জুল ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি গঠন: সভাপতি আব্দুল মান্নান টিপু, সম্পাদক মেহেদী হাসান। সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিক হেনস্তার অভিযোগ, বন কর্মকর্তার উপস্তিতিতে। মালয়েশিয়ায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তরুণ ব্যবসায়ী সিরাজুল হকের মৃত্যু ঈদুল আজহায় ধর্মীয় ও মানবিক কর্মকাণ্ডে দিনব্যাপী ব্যস্ত এ্যাডভোকেট মুয়াযযম হোসাইন হেলাল অপপ্রচারের শিকার বরিশালের আইনজীবী জাকির, পাওয়া গেল ভিন্ন তথ্য

বানারীপাড়া সন্ধ্যা নদীতে উৎসব মূখর পরিবেশে ইলিশ মৎস্য সংরক্ষণ অভিযান ও অসাধু জেলেরা স্পিডবোর্ডে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ সহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশিত সময় বুধবার, অক্টোবর ২২, ২০২৫,
  • 463 বার পড়েছেন

হাসিব মাহামুদ রাহাত, বিশেষ  প্রতিনিধি।
বানারীপাড়ার সন্ধ্যা নদীতে চলছে উৎসব মূখর পরিবেশে ইলিশ মৎস্য নিধন। মানা হচ্ছে না কোনো সরকারি নিষেধ বা আদেশ অমান্য করে চলছে অবৈধ জেলেদের ইলিশ মৎস্য নিধন, উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর মনে হয় এ বিষয়ে কিছুই জানেন নাহ এমনই করছেন। মৎস্য সংরক্ষণ অভিযানের নামে চলছে আর্থিক ব্যবসা বাণিজ্য।
সন্ধ্যা নদীতে স্পিডবোর্ড নিয়ে অভিযানে নামলে সুজন(চালক)ও মৎস্য কর্মকর্তা রা সেখানে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করেন জেলেরা কিন্তু মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বিষয়টি দামা চাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন,অপর দিকে গুনঞ্জন উঠে লক্ষ্যা দিক টাকার বিনিময়ে সমঝোতা নিলুফা ইয়াসমিন রজনীর।
গত ০৪ অক্টোবর হতে ২৫ অক্টোবর ২০২৫ এই ২২ দিন পর্যন্ত ইলিশ মাছ ধরা নিষেধ থাকলেও মানছে না বানরীপাড়ার অসাধু জেলেরা বরংচ পূর্বের চেয়ে আরো অতি উৎসাহী হয়ে পরেছে অসাধু জেলেরা এবং তাদের সাথে যোগ দিয়েছেন কিছু সাধারণ আম জনতা সহ ব্যবহার করা হচ্ছে অল্প বয়সী কিশোর ও বেধে মেয়েদের। এদিকে ইলিশ মৎস্য সংরক্ষণ অভিযানে গাফেলতি এবং উদাসীন তার অভিযোগ উঠেছে মৎস্য কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ।
সাধারণ জনগণের বক্তব্য তাদের সামনেই চলছে এই মৎস্য নিধন। এবং অভিযোগের সত্যতা ও পাওয়া গেছে,আরো অভিযোগ রয়েছে মৎস্য কর্মকর্তা রা অভিযানে নামার আগেই অসাধু জেলেদের মুঠোফোনের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হয় এবং অভিযান পরিচালনা করার সময় জেলেদের নদীতে পাওয়া যায় না অভিযান শেষ হলেই আবার জেলেরা স্বাভাবিক ভাবে নদীতে চলে আসে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যাক্তি অভিযোগ করে বলেন এই মৎস্য নিধনের সাথে মৎস্য কর্মকর্তারাই জড়িত এবং এদের সাথে কিছু বিএনপির নেতারাও জড়িত আছেন অভিযোগ রয়েছে প্রতি নৌকা দুই হাজার টাকা করে চাঁদা নিয়ে নদীতে নামানো হয়। আরো অভিযোগ রয়েছে আটকের পর জেলেদের মোটা অংকের টাকা বাণিজ্য করে তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হয় এর ভিত্তিতে একটি প্রমাণ পাওয়া গেছে।
অভিযানের প্রথম দিনে চাখার ইউনিয়নের চিড়াপাড়া থেকে সুলতান নামে এক জেলে কে আটক করা হয়। তাকে ৭ হাজার টাকার বিনিময়ে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। এখানে কথা হল তাকে যদি ছেড়ে দেওয়া হয় তাহলে আটক কেন করা হলো।
এ ব্যাপারে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: বায়েজিদুর রহমান এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে রেগুলার মামলা করতে বলেছিলাম কিন্তু এর পরে তারা কি করেছে সে বিষয়ে আমি অবগত নই,যদি তারা মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেয় তাহলে এটা নিয়ম বহির্বুত কাজ করেছে।
এর দ্বারা প্রমাণিত হয় যে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের আদেশ ও মানছেন না। অপর একটি সূত্র থেকে জানা গেছে অভিযান সার্থক না হওয়ার কারণ মৎস্য কর্মকর্তারা নিজেরাই এর সাথে জড়িত রয়েছে,এদিকে মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রয়েছে তার অফিস কক্ষ সৌন্দর্য বর্ধন করার অভিযোগ কিন্তু তিনি কোন তহবিল থেকে এই সৌন্দর্য বর্ধনের কাজের টাকা কোন খাত থেকে ব্যয় করলেন তা তিনি নির্দিষ্ট করে বলতে পারেননি।
এ ব্যাপারে বানারীপাড়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নিলুফা ইয়াসমিন রজনীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন বিভিন্ন খাত থেকে টাকা নিয়ে রুমের ডেকারেশন করা হয়েছে তবে তিনি নির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেননি। জানতে চাওয়া হয় অভিযানে উদ্ধারকৃত ফাইটার নৌকা গুলো নিলামে বিক্রি করেছেন কিভাবে তাও আবার জেলেদের কাছে তিনি বলেন এটা আমার বিক্রি করার এখতিয়ার রয়েছে।
কিন্তু জেলা মৎস্য অফিসারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন নৌকা জব্দ করার ক্ষমতা রয়েছে তবে নীলামে বিক্রি করার কোন এখতিয়ার তার নেই। এদিকে সচেতন মহলের দাবি মৎস্য অধিদপ্তর যদি এই অসাধু জেলেদের ব্যাপারে কঠিন ব্যবস্থা না নেয় তাহলে আমরা নিজেরাই আইন হাতে তুলে নিতে বাধ্য হবো এবং এই আসাধু জেলেদের ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হব।

নিউজটি ফেসবুকে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2025 Prothomawaj.com